অবশেষে শেরপুরের শ্রীবরর্দী সরকারি হাসপাতালের আয়াসহ দুই নারীর শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস

সাস্থ্য
Spread the love

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ শেরপুর জেলাতে কারও শরীরে করোনার ভাইরাস পাওয়া যায়নি। অবশেষে আজ রবিবার দুই মহিলার শরীলে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।এই দুই মহিলার মধ্যে একজন শ্রীবরর্দী সরকারি হাসপাতালের(কর্মচারি) আয়া।নাম খোদেজা বেগম,স্বামী নাজিম উদ্দিন মুন্সি,বাড়ী উপজেলার সাতানি পাড়া গ্রামে। খোদেজা গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন।এই খোদেজাকে কেন্দ্র করে শ্রীবরর্দী হাসপাতাল, রোগী ও হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় অবস্থান করা ডাক্তার নার্স ও অন্যান্য কর্মচারিদের লক ডাউন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।খোদেজার ছেলে খুরশেদ শহরের বর্ষা ডিজিটালে কাজ করে। আর খোদেজা অতিরিক্ত কাজ করে নিবির ডায়াগনষ্টিকে।ফলে ওই দুটি প্রতিষ্টানকেও লক ডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।খোদেজা ও তার পুরো পরিবারকে লক ডাউনে আনা হয়েছে- তাদের কে সাতানি পাড়ায় রাখা হয়েছে। শহরের অপরজন শাহীনা আক্তার নামে আরেক মহিলার রক্তেও করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।শাহীনার স্বামী নাম লিটন, বাড়ী সদর উপজেলার ভাতশালা মধ্য বয়রা সরকার বাড়ী।শাহীনা একজন গৃহ বধূ ও স্বামীর বাড়ীতে লক ডাউন অবস্থায় আছেন ।শাহীনার বাবার বাড়ী ও স্বামীর বাড়ী লক ডাউন অবস্থায় আছে। জানা গেছে দুই দিন ধরে খোদেজা বেগম ঠান্ডা হাছি কাশি ও জ্বরে ভূগছিলেন।আজ সকালে খোদেজার করোনা পরীক্ষার জন্য ময়ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়।আজ সন্ধ্যা ৮টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে ফলাফল আসে খোদেজার শরীরে করোনার ভাইরাস আছে।এর আধা ঘন্টা পরেই আসে শাহিনা আক্তারের রক্তের রিপোর্ট।এই দুই নারীই শেরপুরে প্রথম করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হলেন।দুজন করোনা রোগীকে কেন্দ্র করে বিশাল এলাকা জুড়ে লক ডাউনের প্রস্ততি চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গেছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *