স্বামী সন্তান মৃত্যুর পড় স্বামীর ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে দিলেন, মতিন!

অন্যান্য
Spread the love

নান্দাইল প্রতিনিধি: প্রথমে বাড়ি নির্মান করে দিবে বলে মতিন ১২৫০০০/- টাকা হাতিয়ে নেয় আনুয়ার কাছ থেকে, ঘরের নির্মানের টাকা আত্তসাত করে পরবর্তীতে পুনরায় টাকা দাবি করলে, আনুয়ারা খাতুন টাকা দিতে অশিকৃতী জানায়, এবং শেষ নির্মাণ বাবদ কত টাকা খরচ হয়েছে তা হিসাব জানতে চায় আনোয়ারা খাতুন। ঘর নির্মাণের জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে এই হিসাব দিতে গিয়ে ব্যর্থ হয় মতিন,ব্যর্থ হয়েই থেমে যায়নি মতিন, উল্টো আবার আনোয়ারা খাতুন কে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এমতাবস্থায়, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করিয়া। মতিনের বিরুদ্ধে নান্দাইল মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে আনোয়ারা খাতুন, তাৎক্ষণিক পরিবেশ কিছুটা ঘোলাটে বুঝে মতিন, সাবেক আচারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব রেনু সাহেবের কাছে যায়। সাবেক চেয়ারম্যান বিষয়টি অবগত হইলে দুই পক্ষকে দরবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করার চেষ্টা করে। অবশেষে মতিন দরবার না মানিয়া চলে আসে। এর কিছু দিন গত হওয়ার পর পরিবেশ কিছুটা স্বাভাবিক হলে। আনোয়ারা খাতুন নাতনীর বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হইল। কিছু দূর যাওয়ার পর ফোন কলের মাধ্যমে জানতে পারে বাড়ি খালি পাইয়া মতিন, আনোয়ারার ঘরে তালা বদ্ধ করেছে। আর এদিকে ৬৫ বছর বয়সী আনুয়ারা খাতুন স্বামীর ভিটা হারানোর ভয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দিয়া মতিনকে সুপারিশ করাই থাকে এরপরেও মতিন তালা খুলতে রাজি না হওয়ায়, স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় নান্দাইল মডেল থানায় পুনরায় আরও একটি সাধারন ডাইরি করন, আনোয়ার খাতুন। নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ এর কাছে গিয়া সমস্ত ঘটনা খুলিয়া বলে। এবং এও বলে,স্বামী-সন্তানের মৃত্যুর পড় স্বামী ও সন্তানের শেষ স্মৃতি বাড়ির ভিটামাটি টুকু শেষ সম্বল হিসেবে আখরে দরে বাঁচতে চায় আনুয়ারা খাতুন। নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে (ওসি)বলেন, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে, কেওই আইনের উর্ধ্বে নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *